সম্পাদকীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সম্পাদকীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সম্পাদকীয় : আগষ্ট ২০১৬


সম্পাদকীয় : আগষ্ট ২০১৬


বর্ষা এলেই আপামর মন কেমন রোম্যান্টিক হয়ে যায় যে! আসতে অনেক দেরি করেও যেভাবে বর্ষা ভরিয়ে দিল আমাদের এবার, আহা। বাজারে ইলিশের ডাকাডাকি, থইথই জল। জল অবশ্যি জমে না থাকলেই ভালো। বৃষ্টি থামল, আর ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সব জল স্বস্থানে গতিপ্রাপ্ত হল, এমনটা হলে কি ভালোই না হত। হচ্ছে, তবে কলকাতায় বা রাজ্যের অন্য শহরাঞ্চলে এখনও কাজ অনেক বাকি। সব তো আর কল্পনায় মেলে না। মেলে না বলেই তো তাকে নিয়ে অনন্য জাল বোনা।

বর্ষাকালে যে সব অসুখ সম্পর্কে সচেতন হওয়া দরকার, তা নিয়ে সজাগ থাকুন। নিজে না জেনে থাকলে যিনি জানেন, তার পরামর্শ নিন। চিলেকোঠা ওয়েবজিন আশা রাখে, তার সঙ্গীসাথীরা সকলে সচেতন নাগরিক।

চিলেকোঠা অন্যান্য বছরের মতো এবারেও গত জুলাই মাসে আয়োজন করেছিল কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা ও উৎসাহ দিতে একটি ছিমছাম অনুষ্ঠানের। গত ১৮ অগস্ট ছিল রাখীপূর্ণিমা। বরানগর কুঠিঘাটে পিয়ারলেসের মিলনতীর্থ বৃদ্ধাশ্রমে চিলেকোঠা সেদিন উপস্থিত হয়েছিল, জীবনের প্রান্তবেলায় পৌঁছনো ওখানের আবাসিকদের হাতে রাখী বন্ধনের সাথে সাথে কিছুক্ষণ নাচে গানে আনন্দে সময় কাটিয়ে তাঁদের প্রাণে একটু আনন্দের সঞ্চারে।

ক্যালেন্ডার অনুযায়ী শরৎ হলেও শরতের জন্য এখনও কিঞ্চিৎ অপেক্ষা করতে হবে। অতএব, বন্ধুরা, ভরসা রেখেছিলেন দাবদাহের দিনগুলিতে, বর্ষা এসেছে। উপভোগ করুন জমিয়ে, সামান্য ভোগান্তিকে আলিঙ্গন জানিয়ে। 

সম্পাদকীয় : জুলাই ২০১৬







সম্পাদকীয় : জুলাই ২০১৬

কি সুন্দর নাম, রোয়ানু। শুনলেই মনে হয় এক আদুরি বিড়ালীর লোম লোম আলসে দুপুর। এই রোয়ানুর জ্বালায় এবারের বর্ষা রাজ্যে ঢুকি ঢুকি করে টুকি টুকি খেলছে। অবশ্যি এই সংখ্যা যখন আন্তর্জালে মুক্ত হবে, জানি না, সে সময়ের পরিস্থিতি কী হবে।

তবে ‘রোয়ানু’-র মতো নানা দেশের দেওয়া নামগুলি বেশ ইন্টারেস্টিং। আবহাওয়া, পরিষ্কার করে বললে, প্রকৃতিকে আজও কোনও দেশ-কাল-রাজনীতি-সমাজনীতির নিগড়ে আটকানো যায়নি, কোনও দিন যাবে বলে মনে হয় না।

বরং মানুষের উচিত প্রকৃতিকে পুজো করা, সম্মান করা, ভালোবাসা। কিন্তু সবই সেই কেতাবি কথা হয়েই রয়ে যায়। আফশোস।

চিলেকোঠায় চেষ্টা করা হয় প্রকৃতির বিভিন্ন খেয়ালের উদযাপন করার। তাই বসন্ত থেকে বর্ষা, চিলেকোঠাই ভরসা।

আর ভরসা থাকুক এই ওয়েবজিনেও।  

সম্পাদকীয় : মে-জুন ২০১৬



সম্পাদকীয় : মে-জুন ২০১৬

এবার গরমের নতুন অতিথি লু। আরে পশ্চিমা লু কীভাবে যে এই গাঙ্গেয় বঙ্গে চামড়া পোড়াতে এল, কে জানে! আর ছিল সাত দফায় ভোটের গরম। জয়ী হোক গণতন্ত্র।

বাংলা নববর্ষ থেকে বাঙালি মনে সাজো সাজো রব পড়ে যায়, চুপিসাড়ে। এবার রবীন্দ্রজয়ন্তী, আর তার কিছু পরেই নজরুল সন্ধ্যা। বাঙালি নিজের মত করে নিজেকে রাঙিয়ে নেয় রবীন্দ্রে-নজরুলে। আর হ্যাঁ, চিলেকোঠাও সামিল হয় জগতের এই আনন্দযজ্ঞে।

১৪ মে শনিবার, বাবুঘাটের পাশের শিপিং ঘাট থেকে এক অপরূপ প্রমোদতরণীতে এক ঘণ্টার গঙ্গাবিহার, সঙ্গে চলল চিলেকোঠা গ্রুপের সদস্যদের গানে-নাচে-আবৃত্তিতে-পাঠে অনাবিল উজ্জ্বল যোগদান। চিলেকোঠার কোনও এমন অনুষ্ঠানে সব থেকে মন ছুঁয়ে থাকে বিদায়লগ্নটি। ব্যথাতুর, অব্যক্ত। সেদিনেও এর ব্যত্যয় হয়নি।     

এবারেও হরেক লেখায় সাজানো হল ডালা। সেসবের স্বাদ নিন, উদযাপন করুন এই সব কিছু।  

সম্পাদকীয় : মার্চ-এপ্রিল ২০১৬

সম্পাদকীয় : মার্চ-এপ্রিল ২০১৬


‘বসন্ত এসে গ্যাছে’-র মতো নেকুপুষু এন্ট্রি নিল না এবার এই চির-রোম্যান্টিক ঋতুরাজ। যাকে বলে এক্কেবারে বসন্তের বজ্রনির্ঘোষ! কিন্তু যদি এমন হত, ধরুন যেমন শীত এবার নিরাশ করল আপামর বাঙালিকে, যদি গ্রীষ্মও করে, নিরাশ।

খুশি হবেন অনেকেই। তবে ফলের কথা চিন্তা না করে, মা ফলেষু কদাচন। কারণ পাকা আম, কাঁঠাল, লিচু এহেন ফলগুলির কথা ভাবলেই মন আনচান না করে যায় কোথা!

এবারের ওয়েবজিন বের হতে বেশ দেরি হয়ে গেল। সত্যি বলতে, আমরা একটা সংখ্যা লাফদড়ি খেলে একসঙ্গে দুটি সংখ্যা নিয়ে হাজির হলাম সোজা এপ্রিলে। আসলে কী জানেন, ফুরসৎ পাওয়াই যাচ্ছিল না মোটে, যতক্ষণ না সেই ভোর এল, ‘ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল’ বলে ঝাঁপিয়ে এল হাজারো রঙের খোয়াইশ, বাসন্তী আর নীলাভ-গোলাপী রাঙানো ঈষৎ শুষ্ক-শীতল বাতাস ঝাপটা মারল এসে চোখেমুখে... মন কুহুতান করে উঠল আনমনে, চিলেকোঠায়, ওয়েবজিনে।   

অন্য বছরের মতো এবারও চিলেকোঠায় বসন্ত উৎসব জমিয়ে পালিত হল, হাওড়া ডোমজুড়ে, এক অসামান্য বিনোদন পার্কে। রঙ, খুশি আর আনন্দগান ভরিয়ে রেখেছিল সকলকে। ছিল ছন্দোময় ভোজনপর্ব। চিলেকোঠা পরিবারের প্রাণপুরুষ, আমাদের সবার প্রিয় শ্রীশেখর রায়, যখন স্বপ্নে দেখেছিলেন এই গ্রুপটিকে, যখনও এটি ভূমিষ্ঠ হয়নি আন্তর্জালে, তখন তাঁর কর্মস্থলও ছিল এই ডোমজুড়। সুখ-স্মৃতিতাড়িত আমাদের এই মধ্যযুবা... 
 
খুশির রঙ ছড়িয়ে থাকুক, জড়িয়ে থাকুক আপনাকে, সব সময়।